قرائت› دفتر ۱› بخش ۶۹ - قصهٔ آدم علیهالسلام و بستن قضا نظر او را از مراعات صریح نهی و ترک تاویل› بیت ۱۲۴۳
M1:1243 — هر که اول مؤمن است اول بدید / هر که آخر کافر او را شد پدید
M1:1243
شرح و معنا · به زبانِ تو — AI
আদম (আঃ) আল্লাহ্র দেওয়া বিশেষ জ্ঞানের দ্বারা মানুষের বাহ্যিক রূপ নয়, বরং তার আসল ও অন্তিম পরিণতি দেখতে পেতেন। কে অনন্তকালে বিশ্বাসী (মুমিন) হবে আর কে অবিশ্বাসী (কাফের) হবে, তা তিনি শুরুতেই জেনে গিয়েছিলেন।
এই বেইতটি হজরত আদম (আঃ)-এর সেই বিশেষ জ্ঞান বা ‘ইলমুল আসমা’-এর ক্ষমতার কথা বলছে, যা আল্লাহ্ তাঁকে দান করেছিলেন। রুমি বোঝাতে চাইছেন যে, সাধারণ মানুষ একে অপরকে বর্তমান অবস্থার ভিত্তিতে বিচার করে, কিন্তু আল্লাহ্-প্রদত্ত জ্ঞানে জ্ঞানী ব্যক্তিরা বস্তুর বা ব্যক্তির আসল সত্তা ও তার চূড়ান্ত পরিণতি দেখতে পান।
আদম (আঃ) যখন কাউকে দেখতেন, তখন তাঁর দৃষ্টি সেই ব্যক্তির জীবনের শেষ পর্যন্ত পৌঁছে যেত। যদি কেউ ভবিষ্যতে মুমিন হিসেবে জীবন শেষ করত, তবে আদম (আঃ) তাকে শুরুতেই মুমিন হিসেবেই দেখতেন, যদিও সেই মুহূর্তে সে হয়তো অন্য অবস্থায় ছিল। একইভাবে, যার পরিণতি অবিশ্বাস বা কুফরির মাধ্যমে হবে, তার সেই অন্তিম রূপটিই আদমের সামনে প্রকাশিত হতো।
এই ধারণাটি রুমির দর্শনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরে: আল্লাহ্র কাছে কোনো কিছুর নাম তার বাহ্যিক বা সাময়িক রূপের ওপর নির্ভর করে না, বরং তার চিরন্তন ও আসল পরিচয়ের ওপর নির্ভর করে। ঠিক যেমন হজরত মুসা (আঃ)-এর লাঠি বাহ্যিকভাবে কেবলই এক টুকরো কাঠ ছিল, কিন্তু আল্লাহ্র জ্ঞানে তা ছিল এক ভয়ংকর অজগর। এই বেইতটি আমাদেরকে শেখায় যে, মানুষের বিচার তার বর্তমান কাজের ভিত্তিতে নয়, বরং তার অন্তিম পরিণতির নিরিখে আল্লাহ্র কাছে নির্ধারিত হয়ে আছে।
- اول
- আদি, প্রথম, শুরু; এখানে আল্লাহ্র চিরন্তন জ্ঞান বা সৃষ্টির শুরুর সময়কে বোঝানো হয়েছে।
- بدید
- দেখল, দেখল; ফারসি ‘দিদান’ (দেখা) ক্রিয়ার অতীত রূপ।
- آخر
- শেষ, অন্তিম; এখানে মানুষের জীবনের শেষ বা চূড়ান্ত পরিণতিকে বোঝানো হয়েছে।
- پدید شد
- প্রকাশিত হলো, দৃষ্টিগোচর হলো, ভেসে উঠল।
گفتگو — دربارهٔ این بیت بپرس — پاسخ از دل مثنوی، با ارجاع به ابیات
گفتگوی تو تا وقتی عمومیاش نکنی، فقط روی همین دستگاه میماند.
پرسشهای خوانندگان0
هنوز پرسشی بهاشتراک گذاشته نشده — اولین نفر باش.