อ่าน› Daftar 1› เรื่องราวของอาดัม (ขอสันติสุขจงมีแด่ท่าน) และโชคชะตาปิดตาเขาไม่ให้สังเกตการห้ามที่ชัดเจนและละทิ้งการตีความ› โคลงคู่ 1251
M1:1251 — مرد را بر عاقبت نامی نهد / نی بر آن کو عاریت نامی نهد
M1:1251
ความหมาย · به زبانِ تو — ภาษาของคุณ · AI
Tuhan menamai atau menilai seseorang berdasarkan keadaan akhirnya yang sejati, bukan berdasarkan keadaan atau nama sementaranya di dunia ini.
Dalam bagian ini, Rumi menjelaskan perbedaan mendasar antara cara manusia memandang dan cara Tuhan mengetahui. Kita cenderung menilai sesuatu atau seseorang berdasarkan penampilan luarnya yang sesaat—seperti Umar yang pada awalnya adalah penyembah berhala, atau tongkat Musa yang tampak seperti sebatang kayu biasa. Namun, bagi Tuhan, nama sejati sesuatu adalah hakikat dan potensi akhirnya.
Bait ini merangkum gagasan tersebut: nama yang Tuhan berikan (nāmī nihad) didasarkan pada ʿāqibat, yaitu kesudahan atau takdir akhir seseorang. Nama ini adalah nama yang hakiki. Sebaliknya, nama yang diberikan oleh dunia atau oleh keadaan sementara kita hanyalah ʿāriyat, sebuah pinjaman yang tidak kekal dan pada akhirnya akan dikembalikan. Dengan demikian, Rumi mengajak kita untuk tidak terpaku pada citra lahiriah yang bisa menipu, tetapi untuk memahami bahwa nilai sejati seseorang terletak pada apa jadinya ia di hadapan Tuhan kelak.
- عاقبت
- Kesudahan; akhir; hasil akhir dari perjalanan hidup seseorang, yang menjadi dasar penilaian Tuhan.
- عاریت
- Pinjaman; sesuatu yang bersifat sementara, tidak kekal, dan harus dikembalikan. Di sini merujuk pada keadaan atau identitas duniawi yang fana.
- نهد
- Bentuk ketiga tunggal dari kata kerja *nihādan*, yang berarti 'meletakkan', 'menempatkan', atau 'memberikan'. Dalam konteks ini, 'memberi nama' atau 'menetapkan'.
ঈশ্বর মানুষের নামকরণ করেন তার চূড়ান্ত পরিণতির ভিত্তিতে, তার বর্তমান বা সাময়িক অবস্থার ভিত্তিতে নয়।
এই বেইত বা শ্লোকটি রুমি বর্ণিত একটি গভীর আধ্যাত্মিক সত্যকে তুলে ধরেছে। প্রসঙ্গটি হলো আদম (আঃ) এবং নিষিদ্ধ ফল ভক্ষণের ঘটনা। রুমি বলছেন যে, মানুষের বা বস্তুর আসল পরিচয় তার বাহ্যিক বা বর্তমান রূপে নয়, বরং ঈশ্বরের দৃষ্টিতে তার চূড়ান্ত পরিণতিতে নিহিত।
শ্লোকটির ঠিক আগেই তিনি উদাহরণ দিয়েছেন: হজরত মুসা (আঃ)-এর লাঠি মানুষের চোখে ছিল শুধুই একটি ‘লাঠি’, কিন্তু স্রষ্টার কাছে তার আসল নাম ছিল ‘অজগর’। একইভাবে, হজরত উমর (রাঃ) ইসলাম গ্রহণের আগে ছিলেন ‘মূর্তিপূজক’, কিন্তু ঈশ্বরের অনাদি জ্ঞানে (আলস্ত-এর জগতে) তার আসল পরিচয় ছিল ‘বিশ্বাসী’ বা ‘মুমিন’।
সুতরাং, এই শ্লোকটি বলছে যে, প্রজ্ঞাবান সত্তা (ঈশ্বর) মানুষের নামকরণ করেন তার আধ্যাত্মিক যাত্রার শেষ পরিণতির উপর ভিত্তি করে। পার্থিব জগতে আমাদের যে পরিচয় বা নাম, তা অস্থায়ী এবং ধার-করা পোশাকের মতো। আসল নাম হলো সেটাই, যা আমাদের অন্তিম সত্তাকে প্রকাশ করে। আদমের সাময়িক ভুল সত্ত্বেও তার প্রকৃত পরিচয় ছিল ভিন্ন, যা তার তওবা এবং আল্লাহর ক্ষমা লাভের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল।
- عاقبت
- পরিণতি, শেষ ফল, অন্তিম দশা।
- عاریت
- ধার করা, অস্থায়ী, ক্ষণস্থায়ী।
- نهد
- তিনি রাখেন, স্থাপন করেন।
บทสนทนา — ถามเกี่ยวกับบทกลอนนี้ — ตอบจากมัษนาวี พร้อมอ้างอิงทุกบทกลอน
บทสนทนาของคุณจะอยู่บนอุปกรณ์นี้ เว้นแต่คุณจะแบ่งปัน
สิ่งที่ผู้อ่านถาม0
ยังไม่มีคำถามที่แบ่งปัน — คำถามของคุณอาจเป็นคำถามแรก