لوستل› دفتر ۱› د ادم علیه السلام کيسه او د قضا لخوا د هغه د سترګو پټول له واضح منع او د تاویل له پرېښودلو څخه› بيت ۱۲۴۶
M1:1246 — نزد موسی نام چوبش بد عصا / نزد خالق بود نامش اژدها
M1:1246
مانا · به زبانِ تو — ستاسو ژبه · AI
মানুষ কোনো জিনিসের বাহ্যিক রূপ ও বর্তমান পরিচয়টাই জানে, কিন্তু স্রষ্টা তার অন্তর্নিহিত সম্ভাবনা ও চূড়ান্ত পরিণতিসহ তার আসল পরিচয় জানেন।
এই শ্লোকটিতে রুমি মানুষের জ্ঞান এবং ঐশ্বরিক জ্ঞানের মধ্যেকার বিশাল পার্থক্যের একটি উদাহরণ দিয়েছেন। প্রসঙ্গটি হলো হজরত আদম (আঃ)-এর ‘ইলমুল আসমা’ বা সকল বস্তুর নাম বিষয়ক জ্ঞান। রুমি বলছেন যে, সাধারণ মানুষ বস্তুর বাইরের রূপ বা তার तात्ক্ষণিক ব্যবহারিক পরিচয়টুকুই জানে। যেমন, হজরত মুসা (আঃ) তাঁর হাতে থাকা কাঠের টুকরোটিকে একটি লাঠি বা ‘আসা’ (عصا) হিসেবেই জানতেন, যা ভর দেওয়ার বা পশু চরানোর কাজে লাগে।
কিন্তু স্রষ্টার দৃষ্টিতে সেই লাঠির পরিচয় শুধু এটুকুই নয়। তাঁর কাছে এর আসল পরিচয় হলো এর অন্তর্নিহিত শক্তি ও ভবিষ্যৎ রূপ—অর্থাৎ, একটি ভয়ঙ্কর সাপ বা ‘আজদাহা’ (اژدها)। যখন ফেরাউনের সামনে মুসা (আঃ) আল্লাহর আদেশে লাঠিটি নিক্ষেপ করেন, তখন সেটি তার আসল রূপে, অর্থাৎ এক বিশাল সাপের চেহারায় প্রকাশ পায়।
সুতরাং, এই শ্লোকের মূল শিক্ষা হলো—বস্তুর আসল নাম বা পরিচয় তার বাহ্যিক রূপে নয়, বরং তার অভ্যন্তরীণ সম্ভাবনা ও চূড়ান্ত পরিণতির মধ্যে নিহিত থাকে। এই গভীর জ্ঞান কেবল স্রষ্টারই আছে, এবং তিনি তাঁর নির্বাচিত বান্দাদের, যেমন আদম (আঃ)-কে, এই জ্ঞানের অংশবিশেষ দান করেন। আমাদের দৃষ্টি সীমাবদ্ধ, কিন্তু আল্লাহর দৃষ্টি অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ জুড়ে বিস্তৃত।
- اژدها
- ড্রাগন, বিশাল সাপ বা অজগর। এখানে হজরত মুসা (আঃ)-এর মোজেজা বা অলৌকিক ক্ষমতার প্রতীক, যেখানে তাঁর লাঠি সাপে পরিণত হয়েছিল।
- عصا
- লাঠি, যষ্টি। আরবি শব্দ, যা হজরত মুসা (আঃ)-এর লাঠিকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- خالق
- স্রষ্টা, সৃষ্টিকর্তা। আল্লাহর একটি গুণবাচক নাম।
- نزد
- নিকটে, কাছে; এখানে এর অর্থ ‘দৃষ্টিতে’ বা ‘বিবেচনায়’।
Discussion — Ask about this beyt — answered from the Masnavi, every verse cited
Your conversation stays on this device unless you share it.
What readers asked0
No questions shared yet — yours could be the first.